বাংলাদেশে বসে Amazon প্রোডাক্ট সেল করে আয় করুন

অনলাইনে বর্তমানে বিভিন্ন ভাবে ইনকাম করা যায়, বর্তমানে অনলাইনে  এফিলেট  মার্কেটিং করে ইনকাম করাটা এখন একটা বেশ জনপ্রিয় একটি মাধ্যম।

আপনার পাশের বাসার মুদি দোকান বা ভ্যারাইটিজের দোকানের কথা ধরুন,সহজে বোঝার খাতিরে আমাজন একটি অনলাইন দোকান মনে করতে পারেন যারা কোটি কোটি ডলার উপার্জন করে।

এক কথায় বলতে গেলে আপনি কোন কোম্পানির প্রোডাক্ট বা সার্ভিসের মার্কেটিং করবেন, আর আপনার মার্কেটিংএর মাধ্যমে কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস সেল হলে সে কোম্পানি আপনাকে একটা সেলস কমিশন দিবে এটাকে মূলত এফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।

অ্যামাজন বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত অনলাইন বিপণন প্ল্যাটফর্ম যা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই। এখানে আমাজন এফিলিয়েট প্রোগ্রাম চালু রয়েছে। আপনি যদি একজন আমাজন এফিলিয়েট মার্কেটার হয়ে হাজার হাজার ডলার ইনকাম করতে চান,তাহলে এই পুরো পোষ্টটি আপনার জন্য।আজব হলো আমাজন খুচরা বিক্রেতা হিসেবে ২০১৭ সালে আয় করে নিয়েছে ১৭৭.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।এই ধরনের কোম্পানির অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম ছোট ব্যবসাকারী এবং বিপণনকারীদের (অনলাইন মার্কেটারদের) কাছে একটি আকর্ষণীয়ও বিশ্বাসযোগ্য প্ল্যাটফর্ম। 

প্রথম দিকে ইনকাম কম হবে ধরে নিলাম আপনি তিন মাসেএফিলিয়েট মার্কেটিং শিখে কাজ শুরু করলেন আপনার আয় হতে পারে ২০০ থেকে ৩০০ ডলার, ছয় মাস পরে আয় ১০০০ ডলারের উপরে হবে। তবে বলে রাখা ভালো এই আয় নির্ভর করবে সম্পূর্ন আপনার কাজের উপর, আপনার কাজও পরিশ্রম যত ভালো হবে আপনার আয়ও তত ভালো হবে উপরের আয়ের সংখ্যাটা ধারণা দেয়ার জন্য বলা।

মানুষ যত বেশি অনলাইন ব্যাবহারে অভ্যস্ত হচ্ছে, অনলাইন বিজনেস তত বাড়ছে। আর তার সাথে সাথে এফিলিয়েট মার্কেটিং এর কাজের পরিধিও বেড়েই চলেছে। এমনকি বাংলাদেশও পিছিয়ে নেই , এখন অনেক বাংলাদেশি সাইট আছে যারা এফিলিয়েট মার্কেটিং অফার করে।

অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করে আয় করার সিক্রেট টিপসঃ

১। আপনি ব্লগ লেখেন বা ডিরেক্ট প্রোডাক্ট রিভিউ দেন, সব ক্ষেত্রে অ্যামাজনের সাইটলিঙ্ক আপ করুন।সেটা ০৬ থেকে ১১ বা তার বেশি।

০২।  অবশ্যই প্রোডাক্টের ইমেজ ব্যাবহার করতে হবে।  এবং ইমেজটিকে এমাজনের প্রোডাক্টের লিঙ্ক দ্বারা সংযুক্ত করতে হবে।

০৩।আপনি চেষ্টা করুন যেন আপনার বিশদ আলোচনা বা কনটেন্ট এর মধ্যে আপনার প্রোডাক্টের যেন লিঙ্ক থাকে।

০৪।অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ আসতে হলে আপনাকে ‘নিস’ শব্দের সাথে পরিচিত হতেই হবে।এক কথায় বলা যায়, যে বিষয় বা ক্যাটাগরির উপর আপনার মার্কেটিং দক্ষতা দ্বারা আপনি প্রোডাক্ট বিক্রি করবেন, সেই বিষয় বা ক্যাটাগরিই হলো ‘নিস’ ।সাধারণত সেই প্রোডাক্ট বিষয়ে আপনাকে বিশদ আলোচনা করতে হয় ফলে ভিসিটর জানতে পারে প্রোডাক্ট সম্পর্কে এবং ক্রয় করতে আগ্রহ প্রকাশ করে।এখানে টিপস হলো ফিসিক্যাল প্রোডাক্ট নির্বাচন করা।

আপনি ঘরে বসে অনলাইনে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর বেসিক সম্পর্কে একটা আইডিয়া নিতে পারেন বা ইউটিউবে কিছু ভিডিও দেখতে পারেন। এর পরে আপনার প্রফেশনাল লেভেলের কাজ শিখার জন্য আপনাকে কোথাও একটি প্রফেশনাল কোর্স  করতে হবে। বাংলাদেশে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কোর্স শিখানোর জন্য অনেক ট্রেনিং সেন্টার বা ফার্ম রয়েছে। আমাদের সাজেশন থাকবে কোথাও কোর্স করার আগে তার সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে শুনে বুঝে নিবেন। আপনাদের সার্বিক সহযোগিতার ফোরসাইট আইটি ইন্সটিটিউট সর্বদা আপনাদের পাশে রয়েছে। যে কোন ব্যাপারে যদি আপনাদের কোন সমস্যা বা সন্দেহ বা কোন কিছু জানার থাকলে আমাদের এক্সপার্টদের সাথে কথা বলতে পারেন। আপনার আগামী দিনের শুভ কামনা করছি আমরা, আপনি জেনো একজন সফল এফিলেট মার্কেটার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন।

আমাদের মাদার কম্পানি এবং সিস্টার কম্পানিঃ  Foresight IT  & Shopno Career IT

সব ধরনের আইটি টিউটোরিয়ালের জন্য আমাদের Youtube Channel link: Foresight IT Institute

Share this Post